এখন থেকে ব্যাংক কার্ডের মাধ্যমে সরাসরি এ ফি দেয়া যাবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে গতকাল এ-সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করা হয়।
সার্কুলারে বলা হয়েছে, উচ্চ শিক্ষার ফি পরিশোধ করার জন্য ব্যাংকগুলো ডেবিট, প্রিপেইড কিংবা ক্রেডিট কার্ড ইস্যু করতে পারবে। ক্রেডিট কার্ডের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের নিজস্ব ক্রেডিট নীতি এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্ধারিত সীমা মেনে সর্বোচ্চ ঋণসীমা নির্ধারিত হবে। এ কার্ড সরাসরি শিক্ষার্থীর নামে অথবা যিনি ওই শিক্ষার্থীর পড়াশোনার ব্যয় বহন করছেন তার নামে ইস্যু করা যাবে।
কার্ড ব্যবহার করে বৈদেশিক মুদ্রায় পরিশোধিত এ ফি বিদেশ ভ্রমণের নির্ধারিত ট্রাভেল কোটা বা অন্যান্য সাধারণ বৈদেশিক মুদ্রার কোটার সঙ্গে গণনা করা হবে না। শিক্ষা ব্যয়ের এ অর্থ সম্পূর্ণ আলাদা সুবিধা হিসেবে বিবেচিত হবে। এ সুবিধা কেবল বিদেশে স্বীকৃত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কোর্সের টিউশন ফি ও অন্যান্য ভর্তিসংক্রান্ত বৈধ ফি পরিশোধের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। কোনো অবস্থায়ই শিক্ষাবহির্ভূত অন্য কোনো কাজে বা সাধারণ কেনাকাটায় এ কার্ড ব্যবহার করা যাবে না। এছাড়া যথাযথভাবে সঠিক প্রাপকের কাছে শিক্ষাসংক্রান্ত অর্থ পৌঁছেছে কিনা, তা নিশ্চিত করতে ব্যাংকগুলোকে নিয়মিত মনিটরিং করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংগ্রহ করে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শনের জন্য সংরক্ষণ করতে হবে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, অনেক বিদেশী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ভর্তি প্লাটফর্ম অনলাইন বা কার্ডের মাধ্যমে ফি গ্রহণ করায় শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি পোহাতে হয়। এ সুবিধার ফলে ভর্তি প্রক্রিয়ার প্রাথমিক ফি, এনরোলমেন্ট ফি এবং টিউশন ফি সহজে ও দ্রুত পরিশোধ করা সম্ভব হবে।